Summary
পূর্বের পরীক্ষায় দেখা গেছে, প্লাস্টিকের চিরুনিকে উলের কাপড় দিয়ে ঘষলে এটি ছোটো কাগজের টুকরোকে আকর্ষণ করে। কিন্তু চিরুনিটি যখন হাত দিয়ে স্পর্শ করা হয়, তখন এটি আর আকর্ষণ করে না।
এটি নির্দেশ করে যে চিরুনিতে উৎপন্ন স্থিরবিদ্যুৎ নেই এবং হাতের মাধ্যমেই সেই বিদ্যুৎ মাটিতে চলে যায়। এই প্রক্রিয়াটি চলবিদ্যুৎ হিসাবে পরিচিত।
ঘর্ষণের ফলে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়, যা হাত বা বিত্তাল পদার্থের স্পর্শের মাধ্যমে মাটিতে চলে যায়। এই কারণে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায় এবং তাই এটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য থাকে। বিদ্যুৎপ্রবাহ বজায় রাখতে অবিরাম বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রয়োজন হয়।
এ বিষয়ে ভবিষ্যতে আরও আলোচনা হবে।
পূর্বের পরীক্ষার সাহায্যে আমরা দেখেছি, প্লাস্টিকের চিরুনিকে উলের কাপড় দিয়ে ঘষে ছোটো কাগজের টুকরোর সামনে ধরলে এটি কাগজের টুকরোকে আকর্ষণ করে। এরপর হাত দিয়ে চিরুনিটি স্পর্শ করলে দেখা যাবে চিরুনিটি আর ছোটো কাগজের টুকরোকে আকর্ষণ করছে না। এ থেকে কী বোঝা যায়? বোঝা যায় যে, চিরুনিতে উৎপন্ন স্থিরবিদ্যুৎ নেই। এই স্থিরবিদ্যুৎ কোথায় গেল? হাতের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ঐ বিদ্যুৎ চিরুনি থেকে মাটিতে চলে গেছে। এভাবে যে বিদ্যুৎ কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে বা এক বস্তু থেকে অন্য বস্তুতে চলে যায় তা হলো চলবিদ্যুৎ।
এখানে মনে রাখা প্রয়োজন যে, ঘর্ষণের ফলে কোনো বস্তুতে একটি নির্দিষ্ট ও সামান্য পরিমাণ বিদ্যুৎ বা আধান উৎপন্ন হয়। হাত বা ধাতব পদার্থ দিয়ে স্পর্শ করলে এই আধান সাথে সাথে মাটিতে চলে যায়। আধান শেষ হওয়ার ফলে বিদ্যুৎপ্রবাহ বন্ধ হয়ে যায়। সুতরাং এভাবে শুধু কিছুক্ষণের জন্য বিদ্যুৎপ্রবাহ সৃষ্টি হয়। বিদ্যুৎপ্রবাহ বজায় রাখার জন্য কোনো উৎস থেকে অবিরাম বিদ্যুৎ সরবরাহ থাকতে হয়। এ বিষয়ে আমরা পরবর্তীতে আরও অধিক ধারণা পাব।
Read more